**বাংলা ১ম পত্র** টিক চিহ্ন সুভা+ বই পড়া
.................. সুভা.......
১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
ক ১৮৫১ খ্রিষ্টাব্দে
খ. ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দে
গ ১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে
ঘ ১৮৮১ খ্রিষ্টাব্দে
২. কোনগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ?
ক মানসী, সোনার তরী, চিত্রা, বিসর্জন
খ ক্ষণিকা, বলাকা, পুনশ্চ, শেষের কবিতা
গ রক্তকরবী, চোখের বালি, কল্পনা, চিত্রা
ঘ. চিত্রা, কল্পনা, সোনার তরী, মানসী
৩.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার পান?
ক ক্ষণিকা
খ মানসী
গ সোনার তরী
ঘ. গীতাঞ্জলি
৪. সুভার ওষ্ঠাধর ভাবের আভাসমাত্র কিসের মতো কেঁপে উঠত?
ক. হরিণের মতো
খ. কচি কিশলয়ের মতো
গ. নির্জীবের মতো
ঘ. অসহায়ের মতো
৫. “তখন কে জানিত সে বোবা হইবে?” এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
ক. সুভাষিণীর
খ সুকেশিনীর
গ সুহাসিনীর
ঘ সুনয়নার
৬. সুভাষিণীরা কয় বোন?
ক. তিন
খ. চার
গ. পাঁচ
ঘ. ছয়
৭. সুভাষিণীর নাম কে রাখেন?
ক. তার মা
খ. সুভাষিণীর বাবা
গ. তার বড় বোন
ঘ. তার মামা
৮. ‘সুভাষিণী’ অর্থ কী?
ক. মধুরভাষী
খ. সুন্দর মুখ
গ. উজ্জ্বল
ঘ. সুন্দর কথা
৯. সুভাষিণীকে সবাই সংক্ষেপে কী নামে ডাকে?
ক. সুভাষী
খ. ভাষিণ
গ. সুভা
ঘ. সুণী
১০. সুকেশিনী ও সুহাসিনীর সাথে সুভাষিণীর সম্পর্ক কী?
ক. বোন
খ. বান্ধবী
গ. খালাতো বোন
ঘ. চাচাতো বোন
১১.দস্তুরমতো অনুসন্ধান ও অর্থব্যয়ে কাদের বিয়ে হয়ে গেছে?
ক. সুভার
খ. সুভার বোনদের
গ. সুভার বান্ধবীর
ঘ. প্রতাপের
১২. ‘সে কথা বলতে পারে না’ এখানে যাকে নির্দেশ করা যায়
ক. সুকেশিনীকে
খ. সুহাসিনীকে
গ. সুভাষিণীকে
ঘ. প্রতাপকে
১৩. কার সাক্ষাতেই সবাই তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করে?
ক. প্রতাপের
খ. সুভার
গ. সুহাসিনীর
ঘ. সুকেশিনীর
১৪. ‘এইজন্য তাহার সাক্ষাতেই সকলে তাহার ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করিত’- দুশ্চিন্তা প্রকাশের কারণ কী?
ক সুভা জেদি
খ. সুভা বোবা
গ. সুভা অন্ধ
ঘ. সুভা কালো
১৫. কে বুঝেছে যে সে বিধাতার অভিশাপরূপে জন্মগ্রহণ করেছে?
ক. প্রতাপ
খ. সুভার মা
গ. সুভা
ঘ. সুভার বোন
................ বই পড়া...
১৬. ‘সবুজ পত্র’ কে সম্পাদনা করতেন?
ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ. কাজী নজরুল ইসলাম
গ. ফররুখ আহমদ
ঘ. প্রমথ চৌধুরী
১৭. প্রমথ চৌধুরীর মতে আমরা কিসের রস উপভোগ করতে প্রস্তুত নই?
ক. অমৃত রস
খ. সাহিত্যের রস
গ. সুখের রস
ঘ. ফলের রস
১৮. কিসের দ্বারা আমাদের গায়ের জ্বালা ও চোখের জল দুই-ই দূর হতে পারে?
ক. ব্যবসায়
খ. সাহিত্যচর্চা/শিক্ষা
গ. উপাসনা
ঘ. খেলাধুলা
১৯. কে সাহিত্যের সার্থকতা বোঝে না, বোঝে শুধু অর্থের সার্থকতা?
ক. অশিক্ষিত মানুষ
খ. শিক্ষিত মানুষ
গ. ডেমোক্রেসি
ঘ. কলেজ পড়ুয়া বিদ্বান
২০. সাহিত্যে পাওয়া যায়-
ক. জ্ঞান-বিজ্ঞানের সাক্ষাৎ
খ. জীবন ও মৃত্যুর সাক্ষাৎ
গ. মানুষের পুরো মনের সাক্ষাৎ
ঘ. মানুষের আংশিক মনের সাক্ষাৎ
২১. মনগঙ্গার তোলা জল কোনটি?
ক. ধর্মীয় শাস্ত্র
খ. সাহিত্যিক রচনা
গ. দর্শন-বিজ্ঞান
ঘ. গবেষণা গ্রন্থ
২২. সুশিক্ষিত লোক মাত্রই
ক. বিদ্বান
খ. আলেম
গ. পণ্ডিত
ঘ. স্বশিক্ষিত
২৩. স্বশিক্ষিত বলতে বোঝায়-
ক. সৃজনশীলতা অর্জন
খ. বুদ্ধির জাগরণ
গ. সার্টিফিকেট অর্জন
ঘ. উচ্চ শিক্ষা অর্জন
২৪. প্রমথ চৌধুরীর মতে মনোরাজ্যের ঐশ্বর্যের সন্ধান দিতে পারে কে?
ক. শিক্ষক
খ. সাহিত্যিক
গ. বিদ্যাদাতা
ঘ. সুশিক্ষিত লোক
২৫. শিষ্যকে বিদ্যার সাধনা কীভাবে করতে হয়?
ক. বই পড়ে
খ. নিজ চেষ্টায়
গ. আত্মস্থ করে
ঘ. গুরুর সহায়তায়
২৬. যারা পাস করতে পারেনি তারাই দেশকে রক্ষা করেছে।” কথাটি কোন দেশ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
ক. রাশিয়া
খ. ফ্রান্স
গ. নাইজেরিয়া
ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
২৭. লেখক প্রমথ চৌধুরীর মতে কোনটি সাক্ষাৎভাবে উদরপূর্তির কাজে লাগে না?
ক. সাহিত্য
খ. লাইব্রেরি
গ. শিক্ষা
ঘ. জীবনীশক্তি
২৮. ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে সাধারণ বিশ্বাসে কাদেরকে অলস বলা হয়েছে?
ক. যারা অর্থ উপার্জনে বিমুখ
খ. যারা স্বেচ্ছায় বই পড়ে
গ. যারা লেখাপড়ায় উৎসাহী নয়
ঘ. যারা কর্মবিমুখ
২৯.মনের দাবি রক্ষা না করলে কী বাঁচে না-
ক. জীবন
খ. আত্মা
গ. মনুষ্যত্ব
ঘ. বিবেক
৩০. ‘ব্যাধিই সংক্রমক, স্বাস্থ্য নয়।’ এই উক্তিটি কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে?
ক. আমাদের কু-অভ্যাস প্রসঙ্গে
খ. আমাদের রোগব্যাধি প্রসঙ্গে
গ. আমাদের কুসংস্কার প্রসঙ্গে
ঘ. আমাদের শিক্ষার দৃষ্টিভঙ্গির প্রসঙ্গে

No comments:
Post a Comment